প্রচ্ছদ নবীনগরের সংবাদ, বিচিত্র নিউজ, বিবিধ, মফস্বল, শিরোনাম, সাক্ষাতকার, স্লাইডার

নবীনগরে দুই গ্রামের শিক্ষার আলোকবর্তিকা কালঘড়া হাফিজ উল্লাহ উচ্চ বিদ্যালয়

মো. নেয়ামত উল্লাহ: | শুক্রবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮ | পড়া হয়েছে 1009 বার

নবীনগরে দুই গ্রামের শিক্ষার আলোকবর্তিকা কালঘড়া হাফিজ উল্লাহ উচ্চ বিদ্যালয়

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর উপজেলাধীন প্রত্যন্ত এলাকার দুই গ্রামের শিক্ষার চিত্র বদলে দিচ্ছে কালঘড়া হাফিজ উল্লাহ উচ্চ বিদ্যালয়। প্রখ্যাত শিক্ষানুরাগী ডা. সুলতান আহমেদ প্রতিষ্ঠিত এ বিদ্যালয়টি ইতোমধ্যে দুই গ্রামের লোকজনের মাঝে আশার আলোর সঞ্চার করেছে। বিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়নের জন্য প্রতিষ্ঠাতা ডা. সুলতান আহমেদকেই বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি নির্বাচিত করা হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা জানান, নবীনগর উপজেলার প্রত্যন্ত এলাকা রছুল্লাবাদ ইউনিয়নের কালঘড়া গ্রামে প্রতিষ্ঠা করা হয় কালঘড়া হাফিজ উল্লাহ উচ্চ বিদ্যালয়। প্রখ্যাত শিক্ষানুরাগী, কালঘড়া হাফিজ উল্লাহ আমেনা ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান ডা. সুলতান আহমেদের অর্থায়নে ২০০৪ সালে বিদ্যালয়ের সুরম্য নির্মাণের কাজ শুর হয়। ৭ কক্ষ বিশিষ্ট একটি টিনের ঘর নির্মাণ সম্পন্নের পর ২০০৫ সালের ১লা জানুয়ারি বিদ্যালয়ের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। রছুল্লাবাদ ইউনিয়নের লহরী ও কালঘড়া গ্রামের ২টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীরা ৫ম শ্রেণী পাশের পরই এই বিদ্যালয়ে মাধ্যমিক শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ পাচ্ছে। বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠার পূর্বে এই ২টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রীরা ৫ম শ্রেণি পর্যন্ত অধ্যয়নের পর মাধ্যমিক শিক্ষার সুযোগ না থাকায় অনেকটা ঝরে পড়তো। বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠার পর এলাকার শিক্ষার বেহালদশার এই চিত্র পাল্টে যায়। এলাকাবাসীর মাঝে আশার আলোর সঞ্চার হয়। বর্তমানে বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা ৫০০ জন। শিক্ষক-শিক্ষিকা, কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ মোট ১৬ জন দায়িত্ব পালন করছেন। বিদ্যালয়টি উদ্বোধনের পর ২০১১ সালে প্রথমবারের মতো জেএসসি পরীক্ষায় ৮৪ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে ৭২ জন কৃতিত্বের সাথে পাশ করে। ২০১২ সালে ৭৮ জন অংশ নিয়ে ৫৬ জন পাশ করে। জেএসসি পরীক্ষায় কৃতিত্বের পর ২০১৩ সালে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা প্রথমবারের মতো ৪৫ জন শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। প্রথম বছরে পাশের হার ৯৫.৫৬ ভাগ। চলতি বছর অনুষ্ঠিত এসএসসি পরীক্ষায় ৬০ জন অংশগ্রহণ করে ৯৬.৬৭ ভাগ পাশ করে উপজেলার মধ্যে ১ম স্থান অর্জন করে। বিদ্যালয়ের সাফল্যের এমন ধারাবাহিকতায় এলাকাবাসী পিছিয়ে পড়া শিক্ষাব্যবস্থাকে নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখছেন। এলাকার শিক্ষার জন্যে এমন মহৎ উদ্যোগ নেয়ায় ডা. সুলতান আহমেদের নিকট দুই গ্রামের লোকজন কৃতজ্ঞ।

Comments

comments

Visitor counter

Visits since 2018

Your IP: 3.93.75.242

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০